আমরা কাদের অনুসরণ করবো, কোরান কি বলে?
ইসলাম বুঝার বিষয়, মুখস্তের বিষয় নয়। আল্লাহ কোরনের মাধ্যমে তার কিছু মনোনীত ব্যক্তি ও কিছু অবাধ্য ব্যক্তিদের জীবন যাপন ও কর্ম পদ্ধতি বর্ণনার মাধ্যমে আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন। আমরা কাদের অনুসরণ করবো বা করবোনা তা বলেদিয়েছেন। আল্লাহ শুধু একজন ব্যক্তিকে মনোনীত করে পাঠাননি বরং তিনি যুগে যুগে অসংখ্য তার প্রিয়ভাজনকে মনোনীত করে পাঠিয়েছেন এবং কিয়ামত পর্যন্ত পাঠাবেন।
আমাদের বর্তমান প্রজন্ম ইসলাম সম্পর্কে খুব কমই ধারণা রাখি। আমরা বিভিন্ন কথার বেপারীদের থেকে ইসলাম বুঝতে চাই। ইসলাম শুধু শুনার বিষয় নয়, বরং চর্চার বিষয়। অন্তর পবিত্র করার মাধ্যমে তা ধারণ করার বিষয়। দুঃখের বিষয় হলো, আমাদের প্রজন্ম ইসলাম চর্চার একমাত্র উদ্দেশ্য বেহেস্ত বা দোজখ কে বেছে নিয়েছে। ধর্মতো এসেছে মানুষ কে মানুষ বানানোর জন্যে। বেহেস্ত বা দোজখতো যার যার কর্মের ফল মাত্র।
আজ দেশে দেশে মাদ্রাসা মসজিদের অভাব নাই, এতো এতো মুসল্লী, কিন্তু সৎ লোকের খুবই অভাব। আজ মৌ-লোভীরা স্পষ্ট হারাম হবার পরেও ধর্মকে জীবিকা বানিয়ে নিয়েছে। এসব হারাম উপার্জনকারীরা কিভাবে মানুষকে হালাল পথের সন্ধান দিতে পারে, যেখানে তারা নিজেরাই অসৎ উপার্জনে লিপ্ত? আমরাকি এসব লোকদের উপদেশ শুনবো যারা নিজেরাই অসৎ? আমাদেরতো তাদের অনুসরণ করা উচিত যারা সফলকাম হয়েছেন এবং যারা আল্লাহর নেয়ামতপ্রাপ্ত।
আমরা কাদের অনুসরণ করবো, কোরান কি বলে?
যাদের হৃদয়ে আল্লাহ মোহর মেরেদিয়েছেন তারা ছাড়া সবাই বুঝে:
“হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা অনুস্মরণ কর, আল্লাহর, তাঁর রাসুল পাক (দঃ) এর এবং তোমাদের মধ্যে যারা উলিল-আমর (আউলিয়া আল্লাহ)।"
~ সুরাঃ নিসা, আয়াতঃ ৫৯
"তোমাদের মধ্যে এমন একদল লোক যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে।"
~ সুরাঃ আল-ইমরান, আয়াতঃ ৭১
"অনুস্মরণ কর তাঁদের যারা তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাহে না, এবং যারা সৎ পথ প্রাপ্ত।"
~ সূরাঃ ইয়াসীন, আয়াতঃ ২১
"যে বিশুদ্ধ চিত্তে আমার অভিমুখি হয়েছে তাঁর পথ অনুস্মরণ কর।"
~ সুরাঃ লোকমান, আয়াতঃ ১৫।
"জিকির সম্বন্ধে তোমাদের জানা না থাকলে জিনি জানেন তাঁর নিকট হতে জেনে নাও।"
~ সুরাঃ আম্বিয়া, আয়াতঃ ৭
" হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং (ছাদেকিন) সত্যবাদী গণের সঙ্গী হয়ে যাও।"
~ সুরাঃ তাওবাহ, আয়াতঃ ১১৯
"নিশ্চয়ই আল্লাহ্ পাকের রহমত (মুহসিনিন) আউলিয়া কিরামগনের নিকটবর্তী।"
আমাদের বর্তমান প্রজন্ম ইসলাম সম্পর্কে খুব কমই ধারণা রাখি। আমরা বিভিন্ন কথার বেপারীদের থেকে ইসলাম বুঝতে চাই। ইসলাম শুধু শুনার বিষয় নয়, বরং চর্চার বিষয়। অন্তর পবিত্র করার মাধ্যমে তা ধারণ করার বিষয়। দুঃখের বিষয় হলো, আমাদের প্রজন্ম ইসলাম চর্চার একমাত্র উদ্দেশ্য বেহেস্ত বা দোজখ কে বেছে নিয়েছে। ধর্মতো এসেছে মানুষ কে মানুষ বানানোর জন্যে। বেহেস্ত বা দোজখতো যার যার কর্মের ফল মাত্র।
আজ দেশে দেশে মাদ্রাসা মসজিদের অভাব নাই, এতো এতো মুসল্লী, কিন্তু সৎ লোকের খুবই অভাব। আজ মৌ-লোভীরা স্পষ্ট হারাম হবার পরেও ধর্মকে জীবিকা বানিয়ে নিয়েছে। এসব হারাম উপার্জনকারীরা কিভাবে মানুষকে হালাল পথের সন্ধান দিতে পারে, যেখানে তারা নিজেরাই অসৎ উপার্জনে লিপ্ত? আমরাকি এসব লোকদের উপদেশ শুনবো যারা নিজেরাই অসৎ? আমাদেরতো তাদের অনুসরণ করা উচিত যারা সফলকাম হয়েছেন এবং যারা আল্লাহর নেয়ামতপ্রাপ্ত।
আমরা কাদের অনুসরণ করবো, কোরান কি বলে?
যাদের হৃদয়ে আল্লাহ মোহর মেরেদিয়েছেন তারা ছাড়া সবাই বুঝে:
“হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা অনুস্মরণ কর, আল্লাহর, তাঁর রাসুল পাক (দঃ) এর এবং তোমাদের মধ্যে যারা উলিল-আমর (আউলিয়া আল্লাহ)।"
~ সুরাঃ নিসা, আয়াতঃ ৫৯
"তোমাদের মধ্যে এমন একদল লোক যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে।"
~ সুরাঃ আল-ইমরান, আয়াতঃ ৭১
"অনুস্মরণ কর তাঁদের যারা তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাহে না, এবং যারা সৎ পথ প্রাপ্ত।"
~ সূরাঃ ইয়াসীন, আয়াতঃ ২১
"যে বিশুদ্ধ চিত্তে আমার অভিমুখি হয়েছে তাঁর পথ অনুস্মরণ কর।"
~ সুরাঃ লোকমান, আয়াতঃ ১৫।
"জিকির সম্বন্ধে তোমাদের জানা না থাকলে জিনি জানেন তাঁর নিকট হতে জেনে নাও।"
~ সুরাঃ আম্বিয়া, আয়াতঃ ৭
" হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং (ছাদেকিন) সত্যবাদী গণের সঙ্গী হয়ে যাও।"
~ সুরাঃ তাওবাহ, আয়াতঃ ১১৯
"নিশ্চয়ই আল্লাহ্ পাকের রহমত (মুহসিনিন) আউলিয়া কিরামগনের নিকটবর্তী।"
~ সুরাঃ আরাফ, আয়াতঃ ৫৬
"আল্লাহ্ যাকে সৎপথে পরিচালিত করেন, সে সৎপথ প্রাপ্ত হয় এবং তিনি (আল্লাহ্) যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তুমি কখনো তাঁর জন্য কোন পথপ্রদর্শনকারী (অলি-মুরশিদ) পাবে না।"
"আল্লাহ্ যাকে সৎপথে পরিচালিত করেন, সে সৎপথ প্রাপ্ত হয় এবং তিনি (আল্লাহ্) যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তুমি কখনো তাঁর জন্য কোন পথপ্রদর্শনকারী (অলি-মুরশিদ) পাবে না।"
~ সুরাঃ কাহাফ, আয়াতঃ ১৭
"সাবধান! নিশ্চয়ই আল্লাহ্ অলিগণের কোন ভয় নেই, এবং তারা কোন বিষয় এ চিন্তিতও নহে । তাঁদের জন্য আছে সুসংবাদ দুনিয়া ও আখেরাতে, আল্লাহ'র কথার কোন পরিবর্তন হয় না, উহাই মহা সাফল্য।"
~ সুরাঃ ইউনুছ, আয়াতঃ ৬২-৬৪
"হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ্ পাককে ভয় কর, এবং তাকে পাবার জন্য (নৈকট্য লাভের) অছিলা তালাশ কর।"
~ সুরাঃ মায়েদা, আয়াতঃ ৩৫
"সাবধান! নিশ্চয়ই আল্লাহ্ অলিগণের কোন ভয় নেই, এবং তারা কোন বিষয় এ চিন্তিতও নহে । তাঁদের জন্য আছে সুসংবাদ দুনিয়া ও আখেরাতে, আল্লাহ'র কথার কোন পরিবর্তন হয় না, উহাই মহা সাফল্য।"
~ সুরাঃ ইউনুছ, আয়াতঃ ৬২-৬৪
"হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ্ পাককে ভয় কর, এবং তাকে পাবার জন্য (নৈকট্য লাভের) অছিলা তালাশ কর।"
~ সুরাঃ মায়েদা, আয়াতঃ ৩৫
Comments
Post a Comment