মোকামে ফানা-ফি-শাইখ
"আমার মরণকালে ....."
ওরে কমবখত মূর্খ মোল্লা, হজরত মূসা (আঃ) মারেফাত ও নবুয়তে পরিপূর্ণ জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও হজরত খিজিরের (আঃ) কাজের ভেদ বুঝিয়া উঠিতে পারেন নাই। তুমি কিভাবে বুঝবা?
মোকামে ফানা-ফি-শাইখ:
"পীরে তাস্ত আউয়াল মাবুদ তাস্ত"
অর্থাৎ, মুরিদের জন্য তার পীর হচ্ছে প্রথম মাবুদ৷
~ হজরত শের হিন্দ মুজাদ্দেদে আলফে সানী (রঃ)
"আউলিয়া আল্লাহ অ আল্লাহ আউলিয়া
ইয়ানী দীদ-এ-পীর দীদ-এ-কিবরিয়া"
হার কা পীর অ জাত হাকরা আইক না দীদ
নাই মুরীদ অ নাই মুরীদ অ নাই মুরীদ"
অর্থাৎ, আল্লাহর আউলিয়ারা আল্লাহর মত কারণ আল্লাহ তাদের বন্ধু আর এইভাবে যারা তার নিজ পীরকে দেখল তারা আল্লাহকেই দেখল৷
যে তার পীর কে আল্লাহ হিসেবে দেখেনি, সে সত্যিকারের মুরিদ নয়৷
~ মাওলানা জালালউদ্দীন রুমী (র:)
বান্দা যখন ফানাফিল্লাহ মোকামে উপনীত হয়ে স্রষ্টার মধ্যে বিলীন হয়ে যায় তখন তারা আল্লাহ ময় হয়ে যান। যেমন আল্লাহ বলেন "আমিই তার কান হয়ে যাই, যা দিয়ে সে শুনে। আমিই তার চোখ হয়ে যাই, যা দিয়ে সে দেখে। আর আমিই তার হাত হয়ে যাই, যা দিয়ে সে ধরে। আমিই তার পা হয়ে যাই, যা দ্বারা সে চলে।[বোখারী -৬৫০২]।" তাইতো হজরত মুনসুর হাল্লাজ বলেছেন, "আয়নাল হক" তথা আমিই খোদা। হজরত বায়েজীদ বোস্তামী (র:) বলেছেন, "আনা সোবহানী মা আযীমুশশানি" অর্থাৎ আমিই মহা পবিত্র আমার শানে কেউ নাই।
"আমার মরণকালে ঢোল বেলা বাজাইও দরবারীগণরে,
কলেমা কালাম ভাই, কিছুই দরকার নাই,
গাওছ ধনের গুনগীতি গাইও"
~ হযরত মাওলানা মুহাম্মদ বজলুল করিম মান্দাকিনী (কঃ)
গজলের মধ্যে শায়ের ফানা-ফি-শাইখের মোকামে থেকে গাওছ ধনের জিকির শুনাইতে বলেছেন। গাওছ ধনের জিকিরই তার জন্যে কালেমা স্বরূপ, কারণ আল্লাহর আউলিয়ার (গাওছ ধন) সাথে আল্লাহর কোনো পার্থক্য নাই। আউলিয়ারা খোদার যাতে মিশে যান। যেমন আমরা হাদিসে দেখতে পাই"নিশ্চয়ই আঁমার এমন মাহবুব ও আউলিয়ায়ে কিরাম আছেন যাদের জিকির আঁমার জিকির, আর আঁমার জিকির তাদের জিকির হিসেবে পরিগনিত হয়।"
~ তাবরানী-মুজামুল আওসাত, হাদিস - ৬৫১,
~ মাসনাদু আহমদ বিন হাম্বল, হাদিস - ১৫৬৩৪,
~ ইবনে হাজার আল হাইতমি, মাজাউজ জাউয়াইদ, হাদীস - ৩০৪
এমন সাধারণ কথা যাদের মাথায় ধরে না এরা কিভাবে নিজেদের আলেম দাবী করে মূর্খের দল। আর কিছু বোকারা যাদের মধ্যে গাউসে মাইজভান্ডারীর কোনো সুন্নত নাই তাসির নাই তারা এসব ভাবের কথা জায়গা আজায়গায় বয়ান করে বেড়ায়।
ওরে কমবখত মূর্খ মোল্লা, হজরত মূসা (আঃ) মারেফাত ও নবুয়তে পরিপূর্ণ জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও হজরত খিজিরের (আঃ) কাজের ভেদ বুঝিয়া উঠিতে পারেন নাই। তুমি কিভাবে বুঝবা?
মোকামে ফানা-ফি-শাইখ:
"পীরে তাস্ত আউয়াল মাবুদ তাস্ত"
অর্থাৎ, মুরিদের জন্য তার পীর হচ্ছে প্রথম মাবুদ৷
~ হজরত শের হিন্দ মুজাদ্দেদে আলফে সানী (রঃ)
"আউলিয়া আল্লাহ অ আল্লাহ আউলিয়া
ইয়ানী দীদ-এ-পীর দীদ-এ-কিবরিয়া"
হার কা পীর অ জাত হাকরা আইক না দীদ
নাই মুরীদ অ নাই মুরীদ অ নাই মুরীদ"
অর্থাৎ, আল্লাহর আউলিয়ারা আল্লাহর মত কারণ আল্লাহ তাদের বন্ধু আর এইভাবে যারা তার নিজ পীরকে দেখল তারা আল্লাহকেই দেখল৷
যে তার পীর কে আল্লাহ হিসেবে দেখেনি, সে সত্যিকারের মুরিদ নয়৷
~ মাওলানা জালালউদ্দীন রুমী (র:)
বান্দা যখন ফানাফিল্লাহ মোকামে উপনীত হয়ে স্রষ্টার মধ্যে বিলীন হয়ে যায় তখন তারা আল্লাহ ময় হয়ে যান। যেমন আল্লাহ বলেন "আমিই তার কান হয়ে যাই, যা দিয়ে সে শুনে। আমিই তার চোখ হয়ে যাই, যা দিয়ে সে দেখে। আর আমিই তার হাত হয়ে যাই, যা দিয়ে সে ধরে। আমিই তার পা হয়ে যাই, যা দ্বারা সে চলে।[বোখারী -৬৫০২]।" তাইতো হজরত মুনসুর হাল্লাজ বলেছেন, "আয়নাল হক" তথা আমিই খোদা। হজরত বায়েজীদ বোস্তামী (র:) বলেছেন, "আনা সোবহানী মা আযীমুশশানি" অর্থাৎ আমিই মহা পবিত্র আমার শানে কেউ নাই।
"আমার মরণকালে ঢোল বেলা বাজাইও দরবারীগণরে,
কলেমা কালাম ভাই, কিছুই দরকার নাই,
গাওছ ধনের গুনগীতি গাইও"
~ হযরত মাওলানা মুহাম্মদ বজলুল করিম মান্দাকিনী (কঃ)
গজলের মধ্যে শায়ের ফানা-ফি-শাইখের মোকামে থেকে গাওছ ধনের জিকির শুনাইতে বলেছেন। গাওছ ধনের জিকিরই তার জন্যে কালেমা স্বরূপ, কারণ আল্লাহর আউলিয়ার (গাওছ ধন) সাথে আল্লাহর কোনো পার্থক্য নাই। আউলিয়ারা খোদার যাতে মিশে যান। যেমন আমরা হাদিসে দেখতে পাই"নিশ্চয়ই আঁমার এমন মাহবুব ও আউলিয়ায়ে কিরাম আছেন যাদের জিকির আঁমার জিকির, আর আঁমার জিকির তাদের জিকির হিসেবে পরিগনিত হয়।"
~ তাবরানী-মুজামুল আওসাত, হাদিস - ৬৫১,
~ মাসনাদু আহমদ বিন হাম্বল, হাদিস - ১৫৬৩৪,
~ ইবনে হাজার আল হাইতমি, মাজাউজ জাউয়াইদ, হাদীস - ৩০৪
এমন সাধারণ কথা যাদের মাথায় ধরে না এরা কিভাবে নিজেদের আলেম দাবী করে মূর্খের দল। আর কিছু বোকারা যাদের মধ্যে গাউসে মাইজভান্ডারীর কোনো সুন্নত নাই তাসির নাই তারা এসব ভাবের কথা জায়গা আজায়গায় বয়ান করে বেড়ায়।
Comments
Post a Comment